স্টাফ রিপোটারঃ
ফেনীর মাদ্রাসা শিক্ষার্থী নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট। এছাড়া ৪ জনের যাবজ্জীবন এবং ১০ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন- সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম (২০)।
মামলার নথি ও বিবরণী অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় নুসরাতের পরিবার থানায় আইনি পদক্ষেপ নিলে সিরাজ ও তার অনুসারীরা মামলা তুলে নিতে ক্রমাগত হুমকি দেয়। নুসরাত নতি স্বীকার না করায় ২০১৯ সালের ৬ এপ্রিল পরীক্ষার কেন্দ্র মাদ্রাসা ভবনের ছাদে তাকে ডেকে নেওয়া হয়। সেখানে মুখ ও হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে টানা চার দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়ে ১০ এপ্রিল মারা যান নুসরাত।
দেশজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি করা এই হত্যাকাণ্ডে ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ১৬ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেন।
ওই রায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা ছিলেন—সোনাগাজী ইসলামিয়া মাদ্রাসার বরখাস্তকৃত অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা, উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি রুহুল আমিন, কাউন্সিলর মাকসুদুল আলম, শিক্ষক হাফেজ আবদুল কাদের, প্রভাষক আফসার উদ্দিন, মাদ্রাসা ছাত্র নুর উদ্দিন, শাহাদাত হোসেন শামীম, সাইফুর রহমান মোহাম্মদ যোবায়ের, জাবেদ হোসেন ওরফে সাখাওয়াত, কামরুন নাহার মণি, উম্মে সুলতানা পপি, আবদুর রহিম শরিফ, ইফতেখার উদ্দিন রানা, ইমরান হোসেন মামুন, মোহাম্মদ শামীম ও মহি উদ্দিন শাকিল।







আরও পড়ুন
ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের দেশব্যাপী তথ্য সংগ্রহ বিষয় অবহিতকরণ নিয়ে চন্দ্রগঞ্জ উপজেলায় প্রেস কনফারেন্স
মেহেরপুরের গাংনী সীমান্ত দিয়ে ছয়জনকে পুশইনের চেষ্টা করেছে বিএসএফ, রুখে দিল বিজিবি
মালদ্বীপে এক বাংলাদেশি যুবকের রহস্যজনক মৃত্যু