নভেম্বর ২৬, ২০২২

মুক্তিকন্ঠ

ভয়েস অফ ফ্রিডম ফাইটার ১৯৭১

লক্ষ্মীপুরে হত্যা মামলায় ৮ জনের যাবজ্জীবন

মুক্তিকন্ঠ ডেস্কঃ

লক্ষ্মীপুর সদরের উত্তর জয়পুর ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা আবদুল হান্নান ওরফে সুমন হত্যা মামলায় ৬ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (৮ নভেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. রহিবুল ইসলাম এ রায় প্রদান করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হচ্ছে- সদর উপজেলার দত্তপাড়া এলাকার মৃত আবদুল মজিদের ছেলে কাউছার, তোফায়েল আহমদের ছেলে খোরশেদ আলম, আবু তাহেরের ছেলে কালা শাহাদাত, দক্ষিণ মাগুড়ীর মুনছুর আহমদের ছেলে সোহাগ, আবুল কালামের ছেলে সোহেল রানা ও বেলাল হোসেনের ছেলে রাব্বী। রায়ের সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। এ ছাড়া দণ্ডপ্রাপ্ত প্রত্যেক আসামিকে ১০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড ও অনাদায়ে আরও এক বছর করে কারাদণ্ডের আদেশও দেন আদালত। এ মামলায় ঘটনার সত্যতা প্রমাণিত না হওয়ায় মানিক এলাহী বাবুলকে খালাস দিয়েছেন আদালত। এ মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা বিএনপি’র রাজনীতির সঙ্গে জড়িত রয়েছে বলে দাবি করেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী। অপরদিকে, একই উপজেলায় গণেশশ্যামপুর এলাকায় হানিফ হত্যা মামলায় দুইজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন একই আদালত। দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হচ্ছে গণেশশ্যামপুর এলাকার মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে দিদার হোসেন ও দেবীনগর এলাকার আবুল হোসেনের ছেলে ওমর ফারুক। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জসিম উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, যুবলীগ নেতা আবদুল হান্নান ওরফে সুমন হত্যা মামলায় ৬ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে প্রত্যেক আসামিকে ১০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড ও অনাদায়ে আরও এক বছর করে কারাদণ্ডের আদেশও দেন আদালত। তবে যুবলীগ নেতা সুমনকে বিএনপি’র সন্ত্রাসীরা হত্যা করেছে বলে দাবি করেন তিনি। বলেন, দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা বিএনপি’র রাজনীতির সঙ্গে জড়িত রয়েছে। এ ছাড়া পৃথক আরও একটি হত্যা মামলায় দুইজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। তবে রায়ের সময় কোনো আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। সবাই পলাতক রয়েছেন। এ রায়ে বাদী ও রাষ্ট্রপক্ষ সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। আদালত ও মামলা সূত্র জানায়, সদর উপজেলার উত্তরজয়পুর ইউনিয়ন যুবলীগের সদস্য আবদুল হান্নান ওরফে সুমনকে ২০১৩ সালের ৮ই ডিসেম্বর সকাল সাড়ে ১১টার দিকে দত্তপাড়ার পূর্ব বাজারে প্রকাশ্যে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা। এ ঘটনায় পরের দিন সুমনের মা সুফিয়া বেগম বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় ১২ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। অপরদিকে, একই উপজেলার গণেশ শ্যামপুর এলাকায় ২০১৫ সালের ৭ই এপ্রিল সন্ধ্যায় হানিফ নামে এক যুবককে গুলি করে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা। এ ঘটনায় পরের দিন নিহতের বোন মনোয়ারা বেগম বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

 

শেয়ার করুন