ডিসেম্বর ৮, ২০২৩

মুক্তিকন্ঠ

ভয়েস অফ ফ্রিডম ফাইটার ১৯৭১

চন্দ্রগঞ্জে ব্যবসায়ী হামলায় গ্রেপ্তার ২, হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন

গ্রেপ্তারকৃত আসামী পারভেজ ও মানববন্ধনের একাংশ

মুক্তিকন্ঠ ডেস্কঃ

লক্ষ্মীপুরে চন্দ্রগঞ্জ থানায় কামারহাট বাজারের ব্যবসায়ীর উপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী ও ব্যবসায়ীরা। ব্যবসায়ীকে হামলার ঘটনায় জড়িত থাকায় ২জনকে গ্রেপ্তার করেছে চন্দ্রগঞ্জ থানা পুলিশ।

শুক্রবার (২৪ মার্চ) সকাল ১০টায় চন্দ্রগঞ্জ থানাধীন কামারহাট বাজারে এলাকাবাসী ও বাজারের ব্যবসায়ীদের উদ্যোগে ব্যবসায়ী নুরুল ইসলাম ইমতিয়াজের  উপর হামলার প্রতিবাদে মানবন্ধনের আয়োজন করা হয়।

এ ঘটনায় জড়িত থাকার জন্য পারভেজ ও মোঃ ইউসুফ নামে ২জনকে আটক করেছে চন্দ্রগঞ্জ থানা পুলিশ। ইউসুফকে থানায় আনার পরেই অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, বর্তমানে সে সদর হাসপাতারে ভর্তি আছে। প্রযুক্তির ব্যবহার করে প্রথমে মূল আসামী পারভেজকে এবং তার স্বীকারোক্তিমূলে মোঃ ইউসুফকে গ্রেপ্তার করে চন্দ্রগঞ্জ থানা পুলিশ। পুলিশ পারভেজের নিকট থেকে ১টি ব্যাগ, ১ মোবাইল, ৩টি চেকবই ও নগদ ৮৪৬০/- টাকা উদ্ধার করে । এ বিষয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় ভিকটিমের মা জাহান আরা বেগম বাদী হয়ে অজ্ঞাত আসামীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে।

আহত ব্যবসায়ী নুরুল ইসলাম ইমতিয়াজ(৩২) চন্দ্রগঞ্জ থানাধীন কামারহাট বাজারের জেএম টেলিকমের স্বত্তাধিকারী ও গণিপুর গ্রামের গনি মুন্সী বাড়ির মৃত আব্দুল মালেকের ছেলে। মানববন্ধনে আহত ইমতিয়াজের মা জাহান আরা বেগম আসামীদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেন। মানবন্ধনে উপস্থিত এলাকাবাসী ও ব্যবসায়ীরা পুলিশের দ্রুত আসামী গ্রেপ্তারের বিষয়ে সস্তোষ প্রকাশ করেন।

প্রঙ্গগত, গত ২০ মার্চ রাত ১০টার পরে চন্দ্রগঞ্জ থানাধীন কামারহাট বাজারের ব্যবসায়ী নুরুল ইসলাম ইমতিহয়াজ বাড়ি যাওয়ার সময় পূর্বপরিকল্পিতভাবে ওঁৎপেতে থাকা আসামীরা তার উপর হামলা করে। এসময় তার সাথে থাকা নগদ টাকা ও মোবাইল নিয়ে যায় হামলাকারীরা। ভিকটিমের মাথায় ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত করে তাকে আহত অবস্থায় তার বাড়ির সামনে ফেলে রেখে যায়। পরে তার ভাগিনা তাকে দেখে হাসপাতালে নিয়ে যায়। বর্তমানে সে ঢাকার কলাবাগান লং লাইফ হাসপাতালে নিবিড় পর্যবেক্ষণে আছে। তার অবস্থা আশংকাজনক।

ইমতিয়াজের বড় ভাই সাইফুল ইসলাম জানান, ‘ইমতিয়াজের বর্তমান অবস্থা খুবই খারাপ, কি হয় বলা যায় না, প্রেসার একটু বাড়ছে, কিন্তু ব্রেণের কোন উন্নতি হয়নি। আর এখন পর্যন্ত জ্ঞান ফিরেনি’।

চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ তহিদুল ইসলাম জানান, ‘নুরুল ইসলাম ইমতিয়াজের উপর হামলার ঘটনা জানান পরই সেখানে একাধিক ফোর্স মোতায়েন করি, পরবর্তীতে প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে মূল আসামী পারভেজকে গ্রেপ্তার করি এবং পরে পারভেজের স্বীকারোক্তিমূলে আরেকজন আসামী ইউসুফকে ও গ্রেপ্তার করি। ইউসুফ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য প্রেরণ করি। পারভেজকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করি। ইউসুফ সুস্থ হলে তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হবে’। তদন্তস্বার্থে বাকী আসামীদের নাম প্রকাশ করা হয় নি।

About Author

শেয়ার করুন