মুক্তিকন্ঠ

ভয়েস অফ ফ্রিডম ফাইটার ১৯৭১

লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে যৌথ বাহিনীর অভিযানে অস্ত্রসহ শীর্ষ সন্ত্রাসী ও হত্যা মামলার আসামী ‘চিতা’ গ্রেফতার

শেয়ার করুন

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি
লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ অভিযানে হাসান তারেক ওরফে চিতা (৩০) নামে এক শীর্ষ অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
এ সময় তার কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল ও তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত পরিচালিত এ অভিযানে তাকে গ্রেফতার করা হয়। শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) ভোররাতে যৌথ বাহিনীর পক্ষ থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানায়, গ্রেফতারকৃত চিতা ওই এলাকার কুখ্যাত সন্ত্রাসী ‘ছোট কাউসার’-এর প্রধান সহযোগী হিসেবে পরিচিত। অভিযানে নেতৃত্ব দেন সেনাবাহিনীর মেজর মো. রাহাত খাঁন।
গ্রেফতার হওয়া হাসান তারেক ওরফে চিতা চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের পশ্চিম লতিফপুর গ্রামের আব্দুস সাত্তারের ছেলে।
সেনাবাহিনী সূত্র জানায়, নির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে লক্ষ্মীপুর আর্মি ক্যাম্পের ক্যাপ্টেন আরমান হাবিব অপুসহ একটি টহল দল এবং পুলিশের সমন্বয়ে পশ্চিম লতিফপুর গ্রামের এসপি মসজিদসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান নেয় যৌথ বাহিনী। সন্ধ্যা ৬টা থেকে শুরু হওয়া অভিযান রাত সাড়ে ১২টা পর্যন্ত চলে।
অভিযান চলাকালে এসপি মসজিদের সামনে থেকে চিতাকে ঘিরে ফেলে যৌথ বাহিনী। পরে তল্লাশি চালিয়ে তার হেফাজত থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন, পাঁচ রাউন্ড তাজা গুলি এবং দুটি অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন জব্দ করা হয়।
অভিযান শেষে গ্রেফতারকৃত চিতাকে উদ্ধার করা অস্ত্র ও গুলিসহ চন্দ্রগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
প্রসংগত, গত ১৫ নভেম্বর ২০২৫ চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন ৪নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক  আবুল কালাম  জহিরকে নৃশংসভাবে হত্যা করে দুবৃত্তরা। জহির হত্যা মামলার এজাহার নামীয় ১১নং আসামী এই চিতা। এছাড়াও সে সাজাপ্রাপ্ত ও একাধিক মামলার আসামী
যৌথ বাহিনী জানায়, এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড নির্মূলে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। এদিকে চিতার গ্রেফতারের ফলে ওই অঞ্চলে সন্ত্রাসী তৎপরতা অনেকটাই কমে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।

শেয়ার করুন

আরও পড়তে পারেন..