মুক্তিকন্ঠ

ভয়েস অফ ফ্রিডম ফাইটার ১৯৭১

চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা সদর দপ্তর স্থান পুনর্বিবেচনার দাবিতে মানববন্ধন

শেয়ার করুন

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি

লক্ষ্মীপুরের নবগঠিত চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা ভবনের স্থান পুনবিবেচনার দাবি জানিয়েছে চন্দ্রগঞ্জ এলাকার বাসিন্দারা।

এ উপলক্ষে শনিবার সকালে চন্দ্রগঞ্জ বাজারে মানববন্ধন করেছে নবগঠিত উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ, হাজিরপাড়া, উত্তর জয়পুর ও চরশাহী ইউনিয়নের বাসিন্দারা।

মানববন্ধনে চন্দ্রগঞ্জ বাজারের ব্যবসায়ী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

মানববন্ধনকারীরা বলেন, দীর্ঘ ৪০ বছর ধরে আমরা চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে আসছি। অবশেষে বর্তমান সরকারের সময়ে আমাদের দাবি পূরণ হয়েছে। সেজন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানির প্রতি কৃতজ্ঞ। চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের নামে চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা ঘোষণা হয়। তবে উপজেলা ভবনসহ সরকারি স্থাপনা নির্মাণের জন্য বটতলী এলাকায় জমি নির্ধারণ করা হয়েছে। কিন্তু চন্দ্রগঞ্জ এলাকা পূর্ব থেকেই সমৃদ্ধ। বিভিন্ন ইউনিয়নের লোকজনের গন্তব্য এ বাজারেই। চন্দ্রগঞ্জ থানাও, হাইওয়ে থানা, বিদ্যুৎ অফিস
বাজারের পাশেই অবস্থিত। এ বাজারের ভূমি অফিস, রেজিস্ট্রি অফিস, সরকারি-বেসরকারী বিভিন্ন বিভিন্ন ব্যাংক এবং এনজিও রয়েছে। ঐতিহ্যবাহী কফিল উদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় চন্দ্রগঞ্জ বাজারেই অবস্থিত। বটতলী এলাকায় উপজেলা পরিষদ স্থাপন হলে উপজেলার বেশিরভাগ বাসিন্দা সহজে সেবাপ্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হবে।

তাই উপজেলা পরিষদ এ চন্দ্রগঞ্জ এবং হাজিরপাড়া ইউনিয়নের মধ্যবর্তীস্থানে স্থানে স্থাপন করা হলে উপজেলার লোকজন সহজে সরকারি-বেসরকরী সেবা ভোগ করতে পারবে। ওই স্থানে সরকারি ১১ একর খাস জমি রয়েছে। নতুন করে সরকারকে জমি অধিগ্রহণ করতে হবে না। সরকার যাতে উপজেলা পরিষদ স্থাপনের স্থান পুনর্বিবেচনা করে, আমরা সে দাবি জানাচ্ছি।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক হারুনুর রশিদ, হাজিরপাড়া ইউনিয়নের বাসিন্দা সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ফুয়াদ, চরশাহী ইউনিয়নের বাসিন্দা সাংবাদিক আল মামুন শিপন, উত্তর জয়পুর ইউনিয়নের বাসিন্দা হাফেজ জসিম উদ্দিন মৃধা, সাংবাদিক মোহাম্মদ হাছান, প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র দেলোয়ার হোসেন মানিক, ব্যবসায়ী শহীদুল ইসলাম প্রমুখ।


শেয়ার করুন