স্টাফ রিপোটার
চ্যাটজিপিটির নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ওপেনএআই বুধবার উদ্বেগজনক তথ্য প্রকাশ করেছে। নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়া তাদের একটি এআই এজেন্ট সম্প্রতি পাঁচটি কোম্পানিতে সাইবার হামলা করেছে।
কয়েকদিন আগে প্রথম হামলাটি হয় ‘হাগিং ফেস’ নামে একটি প্ল্যাটফর্মে। জনপ্রিয় এই প্ল্যাটফর্মটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে কাজ করে। ওপেনএআই হামলাটি নিয়ে তখন প্রথমবারের মতো বিবৃতি দিয়েছিল।
ওপেনএআইয়ের ব্লগে নতুন চারটি কোম্পানির নাম প্রকাশ করা হয়নি। তবে ধরন হিসেবে ‘সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত পরিষেবা’র কথা উল্লেখ করা হয়েছে। ২১ জুলাই হাগিং ফেসে যখন হামলার ঘটনা ঘটে তখনই এসব কোম্পানি আক্রান্ত হয়েছিল।
মানুষের পক্ষে এখনও বিভিন্ন সফটওয়্যারের ত্রুটি খুঁজে বের করা সম্ভব হয়নি। কিন্তু আশঙ্কা করা হচ্ছে, উন্নত এজেন্টগুলো মানুষের আগেই ত্রুটি খুঁজে বের করে হামলা করতে পারে। হ্যাকের দিকে গড়ানো ঘটনাগুলোর তদন্ত করে ওপেনএআই জানিয়েছে, তাদের প্রাপ্ত তথ্য দেখাছে, এআই মডেলগুলো অনলাইনে অরক্ষিত অবস্থায় থাকা লগইন তথ্য পেয়েছিল। পরে সেগুলোর সাহায্যে অন্য কোম্পানির অ্যাকাউন্টে ঢোকে।
গত সপ্তাহে হাগিং ফেসে হামলার ঘটনার পর ওপেনএআই জানিয়েছিল, পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানোর সময় এজেন্টটি পরিচালনাকারী মডেলগুলো তাদের নির্ধারিত কৃত্রিম সীমানা ভেঙে বেরিয়ে যায়। এরপর ইন্টারনেটের সঙ্গে যুক্ত হয়ে হাগিং ফেসে অনুপ্রবেশ করে।
প্রতিষ্ঠানটি তাদের ব্লগে লিখেছে, ক্ষতিগ্রস্ত অ্যাকাউন্টগুলোর মালিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। হামলার ঘটনার পর বড় ধরনের কোনো প্রভাব পড়ার নমুনা পাওয়া যায়নি। একটি সাক্ষাৎকারে ওপেনএআইয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) স্যাম অল্টম্যান বলেছেন, এসব ঘটনার পর অভ্যন্তরীণ পরীক্ষা-নিরীক্ষা স্থগিত রাখা হয়েছে। নিরাপদ ও নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ নিশ্চিত না করা পর্যন্ত আর কোনো পরীক্ষা হবে না।







আরও পড়ুন
দুই বছরের পরিত্যক্ত ভবনেই চলছে পাঠদান, ঝুঁকিতে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা
পেপ্যাল ও পেওনিয়ারের মতো বিদেশি লেনদেন সেবা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে
সীমান্ত পার হতে গিয়ে ডেভিড ইমন আটক