মুক্তিকন্ঠ

ভয়েস অফ ফ্রিডম ফাইটার ১৯৭১

লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে ভয়াবহ অগ্নিকান্ড

শেয়ার করুন

মুক্তকন্ঠ ডেস্কঃ

লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে।

বুধবার (৮ নভেম্বর)  দুপুর ৩টার দিকে চন্দ্রগঞ্জ প্রেসক্লাব সংলগ্ন ‘খান বেডিং’ এর তুলার গোডাউনে এই অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে, এসময় গোডাউনের সকল তুলা পুড়ে চাই হয়ে যায়। এতে প্রাথমিকভাবে প্রায় ১০-১৫ লক্ষ টাকার ক্ষয়-ক্ষতি হয় বলে জানায় ফায়ার সর্ভিসের কর্তৃপক্ষ।

স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানাযায়, তুলার গোডাউনের শ্রমিকদের সিগারেটের আগুন থেকে এই অগ্নিপাতের সূত্রপাত হয়।  আগুন লাগার সাথে সাথে  লক্ষ্মীপুর এবং চৌমুহনী ফায়ার বিগ্রেডকে জানানো হয়। 

এসময় স্থানীয় যুবকদের সহায়তায় প্রয় ৭০ শতাংশ আগুন নিয়ন্ত্রনে নিয়ে আসা হয়। পরবর্তীতে দুটি ফায়ার বিগ্রেড ঘটনাস্থলে আসলে তারা বাকি ৩০ শতাংশ আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

লক্ষ্মীপুর ফায়ার ব্রিগেডের উপ-সহকারী পরিচালক (জেলা প্রধান) আব্দুল মন্নান জানান, সিগারেটের আগুন থেকে আগুনের সূত্রপাত হয় বলে প্রাথমিকভাবে ধারনা করা হয়। এছাড়া ক্ষয়-ক্ষতির পরিমান ১০-১৫ লক্ষ টাকার মধ্যে হবে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নে চন্দ্রগঞ্জ বাজার বণিক সমিতির (২৫৮৯) সভাপতি এম. ছাবির আহম্মেদ জানান, এই ধরনের অনাকাঙ্খিত অগ্নিকান্ডে আমরা ব্যথিত, প্রায় প্রতি বছর এখানে তুলার গোডাউনে আগুন লাগে আমরা চন্দ্রগঞ্জ বাজারের নের্তৃত্বস্থানীয় লোকজন একখান থেকে তুলার গোডাউন অন্যত্র সরানোর বিষয়ে আলোচনা করব।

এছাড়া চন্দ্রগঞ্জ বণিক সমিতি(২৫৯১) সভাপতি মো. নিজাম উদ্দিন অগ্নিকান্ডের বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, প্রতি বছর অগ্নিকান্ডে চন্দ্রগঞ্জ বাজারের ব্যবসায়ীদের কোটি কোটি টাকার ক্ষয়-ক্ষতি হচ্ছে। দ্রুত চন্দ্রগঞ্জে ফায়ার স্থাপনের বিষয়ে তিনি জোর দেন।

চন্দ্রগঞ্জ বাজার ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নুরুল আমিন জানান, আমি আগুন লাগার খবর পাওয়ার সাথে  ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করি। এছাড়াও তিনি ফায়ার ষ্টেশন স্থাপনের কাজের অগ্রগতির বিষয়ে গুরুত্ব আরোপ করে।

উল্লেখ্য চন্দ্রগঞ্জে ফায়ার ষ্টেশন স্থাপনের জন্য গেজেট প্রকাশ হয়েছে এবং জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ফায়ার ষ্টেশনের জন্য জামি নির্বাচনের কাজ চলমান আছে।


শেয়ার করুন