লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি
লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার রসুলপুর এলাকায় মাদক কারবারের অভিযোগে আলোচনায় রয়েছেন নিষিদ্ধ সংগঠন যুবলীগ নেতা মো. মাসুম। তার বিরুদ্ধে অস্ত্র মামলা, মাদক কারবার ও ডাকাতির অভিযোগ রয়েছে। ৫ আগস্ট-পরবর্তী সময়ে বেড়ি বাজার থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে রামগঞ্জ থানা পুলিশ। তার বিরুদ্ধে অস্ত্র মামলা রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছিলেন রামগঞ্জ থানার তৎকালীন অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আবুল বাশার।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রামগঞ্জ থানার তৎকালীন ওসি মোহাম্মদ আবুল বাশারের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে রামগঞ্জের বেড়ী বাজার থেকে মাসুমকে গ্রেপ্তার করা হয়। মাসুম রামগঞ্জ উপজেলার রসুলপুর গ্রামের ভূইয়া বাড়ীর জাফর আহম্মেদের ছেলে।
রামগঞ্জ উপজেলার রসুলপুর এলাকায় মাসুমের বিরুদ্ধে সক্রিয়ভাবে মাদক কারবার পরিচালনার অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, এলাকায় মাদক কারবারের বিস্তার যুবসমাজের জন্য উদ্বেগজনক পরিস্থিতি তৈরি করছে। এ ছাড়া তার বিরুদ্ধে ডাকাতির অভিযোগও রয়েছে।
একটি নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের নেতা হয়েও এলাকায় মাদক বিস্তারসহ নানা অপরাধের সাথে জড়িত যুবলীগ নেতা মাসুম। মাদক নিয়ে সরকারের কঠোর ভূমিকা থাকলেও স্থানীয় প্রশাসনের নাগের ডগায় বসে এখনো হাল তবিয়তে মাদক ব্যবসাসহ নানা অপরাধ সংগঠিত করে যাচ্ছে এই যুবলীগ নেতা।
নামপ্রকাশ না করার শর্তে এক বিএনপি নেতা বলেন, “বিএনপি সরকার ক্ষমতায় থাকলেও রসুলপুরে রাজত্ব চলে যুবলীগ নেতা মাসুমের। তার কাছে বিএনপিসহ এলাকার সাধারন মানুষও জিম্মি। অস্ত্র এবং একাধিক কিশোর গ্যাং তার নিয়ন্ত্রনে থাকায় মাসুম কোন কিছুকেই তোয়াক্কা করছে না। এছাড়াও বিএনপির অনেক সুবিধাবাদী নেতার সাথে তার সখ্যতা রয়েছে এবং তাদেরকে সকল অপকর্মের টাকা থেকে নির্দিষ্ট পরিমান অংশ দেয় মাসুম। ”
মাদক কারবারের বিস্তার রোধে প্রশাসনের নিয়মিত অভিযান ও কার্যকর নজরদারি প্রয়োজন। একই সঙ্গে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন রসুলপুরের বাসিন্দারা।







আরও পড়ুন
লক্ষ্মীপুরে একযোগে ৬ থানায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান
মিয়ানমারে পাচারের উদ্দেশ্যে নেওয়া ১২ টন ইউরিয়া সার, রসুন ও পেঁয়াজ আটক করেছে কোস্ট গার্ড
স্ক্যানার এড়াতে ব্যাগের ভেতর বিশেষ কৌশলে স্কচটেপে মুড়িয়ে আনা হয়েছিল কোটি টাকার স্বর্ণ